1. Home
  2. Attendance Management Sys...
  3. About project
  4. Feature list

Feature list

১. Proximity ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় চেক-ইন/চেক-আউট

  • ব্যবহারকারীর লোকেশন অনুযায়ী অফিস বা নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেক-ইন বা চেক-আউট সিস্টেম। জিওফেন্সিং (geofencing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি সম্ভব হবে। যেমন, অফিসের ১০০ মিটারের মধ্যে আসলে ইন টাইম সিস্টেম অটোমেটিকালি আপডেট হবে।

২. রুট ট্র্যাকিং এবং বিশ্লেষণ

  • ব্যবহারকারী অফিসে যাওয়ার জন্য কোন রুট ব্যবহার করছে তা ট্র্যাক করা এবং সেই রুটের উপর ভিত্তি করে ট্র্যাফিক বিশ্লেষণ প্রদান করা। কোন রুটে সবচেয়ে কম সময় লাগে বা ট্র্যাফিকের অবস্থা কেমন তা দেখানো।

৩. দূরত্ব ভিত্তিক পুরস্কার (Distance-Based Rewards)

  • ব্যবহারকারীর বাড়ি থেকে অফিস পর্যন্ত যাত্রার ভিত্তিতে রিওয়ার্ড সিস্টেম। দূরবর্তী এলাকা থেকে নিয়মিত সময়মত অফিসে উপস্থিত থাকলে বাড়তি পয়েন্ট বা রিওয়ার্ড পাওয়া যাবে।

৪. আবহাওয়া ভিত্তিক উপস্থিতি (Weather-Based Attendance)

  • ইন-আউট টাইমের সাথে সাথে আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য সেভ করা। বৃষ্টির দিনে বা চরম আবহাওয়ায় উপস্থিতি রেকর্ড করা এবং সেই অনুযায়ী সুবিধা প্রদান।

৫. অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) অফিস ম্যাপস

  • অফিসের ভিতরের স্থান এবং গন্তব্যগুলো দেখার জন্য AR ফিচার। ব্যবহারকারীরা অফিসের মধ্যে কোনো বিশেষ স্থানে যেতে চাইলে এই ম্যাপটি ব্যবহার করে পথ খুঁজে পাবে।

৬. কোলাবোরেটিভ অ্যাটেনডেন্স ভিউ

  • একটি কোলাবোরেটিভ ম্যাপ যেখানে সমস্ত কর্মীর রিয়েল-টাইম লোকেশন দেখা যাবে (অনুমতি সাপেক্ষে)। ম্যানেজাররা সহজেই দেখতে পারবেন কে কোথায় আছে।

৭. ইমার্জেন্সি অ্যালার্টস এবং সেফ জোনস

  • যদি ব্যবহারকারী কোনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা বা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় থাকে, তাহলে অ্যালার্ট পপ আপ হবে এবং সেফ জোনের নির্দেশনা প্রদান করা হবে।

৮. টিম প্রেজেন্স হিটম্যাপ

  • একটি হিটম্যাপ যা টিমের ইন-আউট লোকেশন এবং সময়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। এটি দেখাবে কে কোন সময়ে কোথায় ছিল।

৯. বিভিন্ন লোকেশনের জন্য কাস্টম জিওফেন্সিং

  • নির্দিষ্ট অবস্থান অনুযায়ী বিভিন্ন জিওফেন্স তৈরি করা। যেমন, প্রকল্পের লোকেশন ভিত্তিক ইন/আউট সময় নির্ধারণ।

১০. স্মার্ট অ্যাটেনডেন্স অ্যানালাইসিস

  • একটি স্মার্ট অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ইন-আউট টাইমের বিশ্লেষণ। কতবার সময়মত ইন করেছে বা উপস্থিত ছিল তা বিশ্লেষণ করে পারফরমেন্স রিপোর্ট তৈরি করা।

১১. লোকেশন ভিত্তিক টাস্ক অ্যাসাইনমেন্ট

  • ব্যবহারকারীর লোকেশন অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাস্ক অ্যাসাইন করা। নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকলে নির্দিষ্ট কাজ তার অ্যাসাইনমেন্টে যুক্ত হবে।

১২. লাইভ ম্যাপ ইন্টিগ্রেশনের সাথে অ্যাটেনডেন্স ড্যাশবোর্ড

  • একটি ড্যাশবোর্ড যেখানে ম্যানেজাররা রিয়েল-টাইম ইন-আউট লোকেশন এবং সময় দেখতে পারবেন। উপস্থিতি এবং লোকেশন ডেটা একসাথে সংরক্ষণ করা যাবে।

১৩. লোকেশন ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ছুটির আবেদন

  • নির্দিষ্ট অবস্থানে উপস্থিত না থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছুটির আবেদন পাঠানো। জিওফেন্সের বাইরে থাকলে ছুটির আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা পড়বে।

১৪. টাইম জোন সচেতনতা

  • লোকেশনের টাইম জোন অনুসারে ইন এবং আউট টাইম ট্র্যাক করা। বৈশ্বিক কর্মীদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক।

১৫. দেরিতে চেক-ইনের জন্য স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন

  • নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইন না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যানেজার এবং ব্যবহারকারীকে নোটিফিকেশন পাঠানো।

১৬. লোকেশন-আওয়্যার অ্যাটেনডেন্স হিস্টোরি

  • ব্যবহারকারীরা তাদের অতীতের ইন-আউট লোকেশন এবং সময়ের তথ্য ম্যাপে দেখতে পারবেন।

১৭. লোকেশন ভিত্তিক ডায়নামিক ওয়ার্ক সিডিউল

  • লোকেশন অনুযায়ী কাজের সময়সূচি পরিবর্তন। অফিস বা ফিল্ড থেকে কাজ করার জন্য আলাদা শিফট নির্ধারণ।

১৮. ক্রস-ডিপার্টমেন্ট কোলাবোরেশন ট্র্যাকিং

  • বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের কর্মীদের মধ্যে সহযোগিতা ট্র্যাক করা। কে কোন সময়ে কোন ডিপার্টমেন্টে ছিল তা দেখা যাবে।

১৯. এআই-চালিত অ্যাটেনডেন্স ইনসাইটস

  • AI ব্যবহার করে ইন-আউট টাইম এবং পারফরম্যান্স ডেটা বিশ্লেষণ। ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন এবং উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে পরামর্শ প্রদান।

২০. ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাটেনডেন্স

  • ফেসিয়াল রিকগনিশন ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর্মীদের উপস্থিতি গ্রহণ।

২১. বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স ইন্টিগ্রেশন

  • অ্যাপটিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আইরিস স্ক্যান ইন্টিগ্রেট করা। নিরাপদভাবে উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে।

২২. ভয়েস-অ্যাসিস্টেড চেক-ইন/চেক-আউট

  • ভয়েস কমান্ড দিয়ে ইন-আউট করা। ব্যবহারকারী বলতে পারেন “Check in” বা “Check out”।

২৩. অফলাইন অ্যাটেনডেন্স মোড

  • ইন্টারনেট না থাকলেও অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম কাজ করবে। ইন্টারনেট সংযোগ হলে ডেটা আপলোড হবে।

২৪. কাস্টমাইজেবল অ্যাটেনডেন্স পলিসিস

  • প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী উপস্থিতি নীতি কাস্টমাইজ করতে পারবে। যেমন, ফ্লেক্সিবল টাইমিং, দেরি করে আসার জরিমানা ইত্যাদি।

২৫. এম্প্লয়ি সেলফ-সার্ভিস পোর্টাল

  • একটি পোর্টাল যেখানে কর্মীরা তাদের উপস্থিতি, ছুটির আবেদন, পারফরমেন্স রিপোর্ট দেখতে এবং ম্যানেজ করতে পারবে।

২৬. শিফট পরিবর্তনের জন্য রিয়েল-টাইম নোটিফিকেশন

  • শিফট পরিবর্তন হলে তাৎক্ষণিকভাবে কর্মীদের নোটিফিকেশন পাঠানো হবে।

২৭. মাল্টিপল চেকপয়েন্টস

  • বিভিন্ন ইন-আউট পয়েন্ট নির্ধারণ করা। কর্মীরা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর সময় একাধিক চেকপয়েন্টে চেক-ইন করতে পারবে।

২৮. ডায়নামিক ওভারটাইম ট্র্যাকিং

  • অতিরিক্ত কাজের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা এবং ওভারটাইম পেমেন্ট আপডেট।

২৯. এম্প্লয়ি এঙ্গেজমেন্ট ফিচারস

  • পোল, কুইজ, এবং ফিডব্যাক সিস্টেম যোগ করা যা কর্মীদের সাথে কোম্পানির ইন্টার‌অ্যাকশন বাড়াবে।

৩০. কাস্টম অ্যাটেনডেন্স রিপোর্টস

  • ম্যানেজাররা নিজস্ব উপস্থিতি রিপোর্ট তৈরি করতে পারবেন যেখানে বিশেষ ধরনের ডেটা ফিল্টার করা যাবে।

৩১. জিপিএস এবং বীকন ভিত্তিক অ্যাটেনডেন্স

  • অন-সাইট কাজের জন্য জিপিএস এবং বীকন প্রযুক্তি ব্যবহার করা। নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে উপস্থিত থাকলেই চেক-ইন করা যাবে।

৩২. ছুটি ব্যালেন্স এবং আবেদন ট্র্যাকিং

  • কর্মীরা তাদের বর্তমান ছুটির ব্যালেন্স দেখতে এবং ছুটি আবেদন করতে পারবে।

৩৩. কাস্টমাইজেবল পুশ নোটিফিকেশনস

  • ব্যবহারকারী বা ম্যানেজার নির্ধারণ করতে পারবে কোন ধরনের নোটিফিকেশন তারা পেতে চান।

৩৪. রিমোট ওয়ার্কারদের জন্য মোবাইল অ্যাটেনডেন্স

  • রিমোট কর্মীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে উপস্থিতি গ্রহণ করতে পারবে।

৩৫. কিউআর কোড ভিত্তিক অ্যাটেনডেন্স

  • কিউআর কোড স্ক্যান করে উপস্থিতি গ্রহণ। কর্মীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে চেক-ইন/চেক-আউট করতে পারবে।

৩৬. স্বয়ংক্রিয় শিফট প্ল্যানিং

  • উপস্থিতির ডেটার উপর ভিত্তি করে শিফট প্ল্যানিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে।

৩৭. প্রজেক্ট ভিত্তিক অ্যাটেনডেন্স

  • নির্দিষ্ট প্রজেক্টের জন্য ইন-আউট টাইম রেকর্ড করা।

মডেল বর্ণনা সংক্ষেপে:

  1. Company: প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
  2. Employee: কর্মচারীর প্রোফাইল এবং তাদের কোম্পানির সাথে লিঙ্ক রাখা হয়।
  3. Attendance: ইন-আউট সময়, লোকেশন, এবং উপস্থিতির তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
  4. LeaveRequest: কর্মচারীরা ছুটির জন্য আবেদন করতে পারবে।
  5. TaskAssignment: কাজের দায়িত্ব অ্যাসাইন করার জন্য ব্যবহৃত।
  6. Reward: কর্মচারীদের রিওয়ার্ড বা পুরস্কারের জন্য ব্যবহৃত।
  7. Location: বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জিওফেন্স বা লোকেশন সংরক্ষণ।

এই সিস্টেমের মাধ্যমে:

  • কর্মীদের উপস্থিতি ট্র্যাক করা যাবে।
  • ছুটির আবেদন ও অ্যাসাইনমেন্ট ম্যানেজ করা যাবে।
  • লোকেশন ভিত্তিক কাজ ও ইন-আউট সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা সম্ভব।

পার্ট ১: প্রজেক্ট সেটআপ এবং প্রয়োজনীয় লাইব্রেরি ইনস্টল করা

  1. Django প্রজেক্ট তৈরি করা।
  2. প্রয়োজনীয় লাইব্রেরি ইনস্টল করা যেমন Django Rest Framework (DRF), Djoser (কাস্টম ইউজার ম্যানেজমেন্টের জন্য), এবং অন্যান্য।
  3. প্রজেক্ট ও অ্যাপ্লিকেশন স্ট্রাকচার তৈরি করা।
  4. প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন ফাইল আপডেট করা (settings.py ফাইল)।

পার্ট ২: কাস্টম ইউজার মডেল তৈরি করা

  1. কাস্টম ইউজার মডেল তৈরি করা যা AbstractBaseUser এবং PermissionsMixin ক্লাস থেকে ইনহেরিট করবে।
  2. কাস্টম ম্যানেজার তৈরি করা এবং User মডেলকে AUTH_USER_MODEL এ ব্যবহার করা।
  3. ইউজার নিবন্ধন, লগইন এবং টোকেন ব্যবস্থাপনার জন্য Djoser কনফিগার করা।

পার্ট ৩: কোম্পানি মডেল তৈরি করা

  1. Company মডেল তৈরি করা যা প্রতিটি কোম্পানির নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য বিবরণ সংরক্ষণ করবে।
  2. Employee মডেল তৈরি করা যা ইউজারের সাথে কোম্পানি লিঙ্ক করবে।
  3. API এর মাধ্যমে কোম্পানি এবং কর্মচারী যুক্ত করার জন্য serializers, views এবং urls তৈরি করা।

পার্ট ৪: উপস্থিতি (Attendance) মডেল তৈরি করা এবং API তৈরি করা

Attendance মডেল তৈরি করা যাতে কর্মচারী, তার উপস্থিতির তারিখ ও সময় থাকবে।

How can we help?