1. Home
  2. System Design and Applica...
  3. Level 1: Beginner –...
  4. Basic Concepts in Applica...
  5. ০ ১ . Three-tier and N-tier Architectures

০ ১ . Three-tier and N-tier Architectures

থ্রি-টায়ার এবং এন-টায়ার আর্কিটেকচারকে সহজভাবে বোঝানোর জন্য আমরা চায়ের দোকানের গল্প ব্যবহার করব।

গল্প: চায়ের দোকানের তিন স্তরের কাজ

ধরা যাক, তোমার চায়ের দোকানে কাস্টমারের জন্য চা বানানোর পুরো প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে:

১. প্রেজেন্টেশন লেয়ার (Presentation Layer)

এটি সেই জায়গা যেখানে কাস্টমার অর্ডার দেয়। তোমার দোকানের কাউন্টারটি হলো প্রেজেন্টেশন লেয়ার, যেখানে কাস্টমার এসে বলে, “আমাকে এক কাপ দুধ চা দিন।”

২. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার (Application Layer)

এখানে অর্ডারটি প্রসেস করা হয়। অর্ডার শোনার পর, চা বানানোর লোকটি কী ধরনের চা বানাতে হবে তা ঠিক করে এবং প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করে। এটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার, যেখানে ব্যবসায়িক লজিক বা প্রসেসিং হয়—অর্থাৎ, কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী কাজটি সম্পন্ন করা।

৩. ডেটা লেয়ার (Data Layer)

এটি সেই জায়গা যেখানে সমস্ত চা তৈরির উপকরণ, যেমন চা পাতা, দুধ, চিনি ইত্যাদি মজুদ রাখা আছে। চা বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা বা উপকরণ এখান থেকেই নেয়া হয়।

এই তিনটি স্তর একসাথে কাজ করে যাতে কাস্টমারের অর্ডার পূরণ করা যায়। এটি হলো থ্রি-টায়ার আর্কিটেকচার, যেখানে কাজের প্রক্রিয়াটি তিনটি ভাগে ভাগ করা থাকে।

এন-টায়ার আর্কিটেকচার (N-tier Architecture)

এখন, ধরো তুমি আরও কয়েকটি স্তর যুক্ত করেছো। যেমন:

  • অথেন্টিকেশন লেয়ার: কাস্টমারকে আগে একটি কুপন দেখাতে হবে, তারপর সে অর্ডার দিতে পারবে।
  • ডেলিভারি লেয়ার: চা বানানো হলে একজন বিশেষ লোক কাস্টমারের টেবিলে চা পৌঁছে দেবে।
  • পেমেন্ট লেয়ার: চা খাওয়ার পর কাস্টমার আলাদা কাউন্টারে গিয়ে টাকা পরিশোধ করবে।

এখানে তিনটির বেশি স্তর ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি এন-টায়ার আর্কিটেকচার, যেখানে কাজের প্রক্রিয়া অনেকগুলো স্তরে ভাগ করা হয়।

How can we help?